চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান-চট্টগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ ও ভ্রমণ গাইড জেনে নিন।

আপনারা জানতে চেয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ ও ভ্রমণ গাইড সম্পর্কে কিছু তথ্য। তাই চলুন আপনারা চট্টগ্রাম শহরের সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনেনি। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত পাহাড়, সমুদ্রে এবং উপত্যকায় ঘেরা  শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে প্রাচ্যের রাণী হিসেবে বিখ্যাত। বন্দরনগরী নামে পরিচিত এই শহরটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। ঢাকার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ শহর হচ্ছে চট্টগ্রাম। এখানে দেশের সর্ববৃহৎ বন্দর ছাড়াও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে কর্ণফুলী নদীর তীরে এই শহরটি অবস্থিত। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মত চট্টগ্রামেও ছয় ঋতু দেখা যায়। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এ অঞ্চলে শীতকাল, মার্চ, এপ্রিল, মে-তে গ্রীষ্মকাল দেখা যায়। জুন, জুলাই, আগস্ট পর্যন্ত বর্ষাকাল। তবে ইদানীং আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়।

চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান

চট্টগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান হলো ফয়েজ লেক,জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর,চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা,পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত,চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি,বাটালী হিল,চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং,বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার,ভাটিয়ারী লেক ও গলফ ক্লাব,লালদিঘি,বায়তুল ইজ্জত,মেধসমুনি আশ্রম,মন্দাকিনী শিব মন্দির,হালদা নদী,গুপ্ত এস্টেট জমিদার বাড়ি এবং ঠাকুর দিঘি,ডিসি হিল,মাজের মসজিদ ও মির্জাখীল দরবার শরীফ,মক্কার বলি খেলার মাঠ।

১। ফয়েজ লেকঃ  ফয়েজ লেক  চট্টগ্রামের পাহাড়তলী  এলাকায় অবস্থিত একটি কৃত্রিম হ্রদ। ১৯২৪ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে খনন করা হয় এবং সেসময় পাহাড়তলী লেক হিসেবে পরিচিত ছিল।বাঁধটি চট্টগ্রাম শহরের উত্তর দিকের পাহাড় শ্রেণীর থেকে নেমে আসা পানির প্রবাহের দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এই লেকটিকে সৃষ্টি করেছে। ভূ-তাত্ত্বিকভাবে এইসব পাহাড় শ্রেণী দুপিটিলা স্তর সমষ্টির শিলা দ্বারা গঠিত।

২। জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরঃ জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর চট্টগ্রাম শহরের একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এই জাদুঘরটি মূলত দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার ও তাদের জীবনপ্রণালী সম্পর্কে দর্শনার্থীদের ধারণা দেওয়ার নিমিত্তে প্রতিষ্ঠিত। এশিয়া মহাদেশের দুটি জাতি-তাত্ত্বিক জাদুঘরের মধ্য চট্টগ্রামের জাতি-তাত্ত্বিক জাদুঘর অন্যতম, অন্যটি রয়েছে জাপানে।

৩। ফয়স লেকঃ ফয়স লেকের পাশে সবুজে ঘেরা বনবীথির বেষ্টনীতে ১৯৮৯ সালে তৈরি করা হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা। ৬ একর জায়গার উপর বানর, সিংহ, হরিণ ও হনুমান এই চার প্রজাতির ১৬টি প্রাণী নিয়ে এ চিড়িয়াখানা যাত্রা শুরু করে।চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা প্রতিদিন সকাল ১০:০০ ঘটিকা থেকে সন্ধ্যা ৬:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

৪। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতঃ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলোর মধ্যে একটি হলো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত।বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত পতেঙ্গা সৈকত।ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হওয়া কর্ণফুলী নদী, রাঙামাটি এবং চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকতের কাছে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে। নগরবাসী তাদের একঘেয়ে জীবনে থেকে মুক্তি নিয়ে এখানে বঙ্গোপসাগরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন।

৫। চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রিঃ কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের একটি সৌধ যেটি সাধারণভাবে চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি নামে পরিচিত।

 

৬। বাটালী হিলঃ বাটালি পাহাড় যা বাটালি হিল নামেও পরিচিত, চট্টগ্রামের টাইগার পাস এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রামের শহরের সর্বাধিক উঁচু পাহাড়। এর উচ্চতা প্রায় ২৮০ ফুট। এর চুড়া থেকে বঙ্গোপসাগর এবং চট্টগ্রাম শহরের বড় অংশ পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। চট্টগ্রাম শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরে টাইগারপাস এলাকায় বাটালি হিল অবস্থিত। চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার এলাকার ইস্পাহানী মোড়ের উত্তরে ফাহিম মিউজিকের পাশ ঘেষে উপরে দিকে উঠে গেছে বাটালী হিলের রাস্তা। এ রাস্তা ম্যাজিস্ট্রেট কলোনীর পিছন দিয়ে চলে গেছে।উক্ত দশর্নীয় স্থানে যাওয়ার জন্য বাস বা অটোরিক্সা ব্যবহার করা যেতে পারে।

৭। চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংঃ চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং বা চট্টগ্রাম আদালত ভবন চট্টগ্রাম শহরের পরীর পাহাড়ে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক ভবন। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৭৩ সালে চট্টগ্রামকে পৃথক প্রশাসনিক অঞ্চল ঘোষণা করে। বর্তমানে পুরাতন ভবনে কার্যক্রমের স্থান সংকুলান না হওয়ায় পুরাতন ভবনের পাশে নতুন নির্মিত হয়েছে। সম্প্রতি এতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

৮। বায়েজিদ বোস্তামীর মাজারঃবায়েজিদ বোস্তামীর মাজার চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের একটি পাহাড়ের উপরে অবস্থিত। ইরানের বিখ্যাত সুফি বায়েজিদ বোস্তামীর নামে গড়ে উঠা এই মাজার চট্টগ্রামের ধর্মপ্রাণ মানুষের পাশাপাশি চট্টগ্রামে আসা দেশী বিদেশী পর্যটকদের জন্যও একটি অত্যন্ত আকর্ষনীয় স্থান। আঙ্গিনার ঠিক মাঝখানে একটি কফিন অবস্থিত। কবরস্থানটি পরে একটি আধুনিক কাঠামো দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। সমাধি পাহাড়ের পাদদেশে একটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মুঘল ধাঁচের আয়তাকার মসজিদ এবং একটি বিশাল লেক রয়েছে। স্থাপত্য শৈলী থেকে বোঝা যায় যে মসজিদটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল।

চট্টগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান

৯। ভাটিয়ারী লেক ও গলফ ক্লাবঃপ্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে গড়ে ওঠা ভাটিয়ারীগলফ এ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাব দেশের প্রায় ১২টি গলফ ক্লাবের মধ্যে সেরা। সীতাকুণ্ডে, ভ্রমনকারীদের জন্য ভাটিয়ারী গলফ ক্লাব(Bhatiari Golf Club) অন্যতম একটি আকর্ষনীয় স্থান যা প্রাকৃতিক জলাধার এবং পাহাড় দিয়ে আবৃত। ভাটিয়ারী-হাটহাজারী সড়কে মিনিট খানেক গাড়িএগুলেই পাহাড়ীপথের শুরুটাই এমন যে তাক লাগিয়ে দেয় আগতদের। রাস্তার দু’ধারেরয়েছে জোড়া লেক। পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে ওঠা এ মাঠের দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ৬হাজার গজ। ক্লাবের সামনেই রয়েছে এক গলফারের ভাস্কর্য। চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র ১৫ কিমি দূরেই সীতাকুন্ড উপজেলায় ভাটিয়ারী গলফ এ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবটি অবস্থিত। ভাটিয়ারী-হাটহাজারী সড়কে মিনিটখানেক গাড়ি এগুলেই পৌছে যাওয়া যায় গলফ ক্লাবে।

১০। মেধস মুনি আশ্রমঃ মেধস মুনির আশ্রম বোয়ালখালী উপজেলায় করলডেঙ্গা পাহাড়ে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু তীর্থভূমি। বিশেষত বাঙালি হিন্দুর কাছে এটি একটি জনপ্রিয় তীর্থ। আশ্রমে চণ্ডী মন্দির, শিব মন্দির, সীতা মন্দির, তারা কালী মন্দিরসহ ১০টি মন্দির রয়েছে। রয়েছে সীতার পুকুর।আশ্রমের প্রধান ফটক দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার গেলে ওপরে ওঠার সিঁড়ি। প্রায় ১৪০টি সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠলে মেধস মুনির মন্দির চোখে পড়বে। এই মন্দিরের পরই দেবী চণ্ডীর মূল মন্দির। এর একপাশে সীতার পুকুর, পেছনে রয়েছে ঝরনা। মন্দিরের পেছনে সাধু সন্ন্যাসী ও পুণ্যার্থীদের থাকার জন্য রয়েছে দোতলা ভবন।

১১। মন্দাকিনী শিব মন্দিরঃ মন্দাকিনী শিব মন্দির হিন্দু ধম্বালম্বীদের একটি তীর্থস্থান বলে পরিচিত। চট্টগ্রাম শহর থেকে এ মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ২২ কিঃমিঃ। হাটহাজারী উপজেলার উত্তরের ১নং ফরহদাবাদ ইউনিয়নে মন্দাকিনী শিব মন্দির অবস্থিত।বর্ণনাঃমন্দাকিনী মেলা ও পুণ্য স্নানে মন্দির প্রাঙ্গনে হাজারো ভক্ত ও পুণ্যার্থীর পদচারণা ঘটে। মেলা উপলক্ষে শিব মন্দিরে পুজা, কবিগান, গীতাপাঠ, কীর্তন ও ধর্মীয় আলোচনা সভাসহ নানা ধরনের কর্মসূচি মহাসমারোহে সম্পন্ন হয়ে থাকে। প্রতি বছর মধু কৃষ্ণা ত্রয়োদশীতে মন্দাকিনী মেলা ও পুণ্য স্নান অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে স্নান ও মেলা কমিটির পক্ষ থেকে দু’দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

১২। হালদা নদীঃ হালদা নদী বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১০৬ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৩৪ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক হালদা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী নং ১৬। হালদা খালের উৎপত্তি স্থল মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের পাহাড়ী গ্রাম সালদা। সালদার পাহাড়ী র্ঝণা থেকে নেমে আসা ছড়া সালদা থেকে হালদা নামকরণ হয়। সালদা নদী নামে বাংলাদেশে আরো একটি নদী আছে যেটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

১৩। গুপ্ত এস্টেট জমিদার বাড়ি এবং ঠাকুর দিঘিঃ গুপ্ত জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া গ্রামে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। প্রায় ১০ একর জায়গার উপর ১২০ কক্ষ বিশিষ্ট্য একটি ভবন, কাছারিঘর, নাচঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মন্দিরসহ অনেককিছু এখানে তৈরি করা হয়েছে। ১২০ কক্ষের বাড়িটিতে এখন মাত্র ২০টি কক্ষ অবশিষ্ট রয়েছে। এখানে এখনো জমিদার বংশের উত্তরসূরীরা বসবাস করতেছেন। তবে এখন আর তাদের সেই জমিদারী জৌলুস নেই। এখন কষ্টে ও অনাহারে তাদের দিন কাটাতে হয়।

চট্টগ্রাম ভ্রমণ গাইড

১৪। ডিসি হিলঃ ডিসি হিল বা ডিসির পাহাড় চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত অন্যতম নান্দনিক স্থান যার বর্তমান আনুষ্ঠানিক নাম নজরুল চত্বর। এই পাহাড়ের শীর্ষে চট্টগ্রাম জেলা কমিশনারের (ডিসি) সরকারী বাসভবন অবস্থিত। ডিসি হিল চট্টগ্রাম শহরের নন্দনকান বৌদ্ধ মন্দির সড়কে অবস্থিত। এটি চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্রবিন্দু জিরো পয়েন্ট হতে ১কিমি দূরে অবস্থিত। পাহাড়টির চারিদিকে অনেক সুউচ্চ গাছ রয়েছে। একসময় এই স্থানটিকে পার্ক হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীকালে একে আর পার্ক করা হয় নি। প্রতি বছর বাংলা নববর্ষে এখানে বাঙালির জাতীয় উৎসব পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন করার মধ্য দিয়ে ডিসি হিল ঐতিহাসিক গুরত্ব ধারণ করেছে। এছাড়াও এখানে জাতীয় এবং সাংস্কৃতিক দিবসসমূহ পালন, মঞ্চনাটক, উন্মুক্ত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে থাকে।

১৫। মাজের মসজিদ ও মির্জাখীল দরবার শরীফঃ প্রায় দুইশত বছর আগে হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঙ্গীরী (র) সাতকানিয়া মির্জাখিল গ্রামে হানাফী মাজহাবের ফতোয়া অনুযায়ী পৃথিবীর যে কোনো দেশে চাঁদ দেখা গেলে রোজা ও ঈদসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালনের ফতোয়া জারি করেন। . চন্দনাইশ শাহ সূফী দরবারের খলিফা হযরত মাওলানা শাহ হুসুফী আমজাদ আলী (র) এর অন্যতম খলিফা হযরত মাওলানা আব্দুল হাই জাহাগিরীর অনুসারী ও অনুসারীরা একই কায়দায় ঈদ উদযাপন করে আসছেন। চট্টগ্রাম কক্সবাজার সড়কের কেরানীহাট থেকে সাতকানিয়া মোটর স্টেশনে সিএনজি যোগ করে রিকশা বা পায়ে হেঁটে মাঝের মসজিদে যাওয়া যায়। কেরানীহাট থেকে সিএনজি করে সাতকানিয়া দুলুব্রিজ, তারপর সিএনজি করে মির্জাখিল দরবার শরীফে যাওয়া যায়।

১৬। মক্কার বলি খেলার মাঠঃ মক্কার বলী খেলা বা মক্কারো বলীখেলা এক বিশেষ ধরনের কুস্তি খেলা, যা চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্গত মাদার্শা ইউনিয়নে প্রতিবছর বাংলা সনের ০৭ই বৈশাখে অনুষ্ঠিত হয়। এই খেলায় অংশগ্রহণকারীদেরকে বলা হয় বলী। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কুস্তি, বলীখেলা নামে পরিচিত।  চট্টগ্রাম বলীর দেশ। কর্ণফুলী ও শঙ্খ নদীর মধ্যবর্তী স্থানের উনিশটি গ্রামে মল্ল উপাধিধারী মানুষের বসবাস ছিল। প্রচণ্ড দৈহিক শক্তির অধিকারী মল্লরা সুঠামদেহী সাহসী পুরুষ এবং তাদের বংশানুক্রমিক পেশা হচ্ছে শারীরিক কসরৎ প্রদর্শন। এই মল্লবীরেরাই ছিলেন বলীখেলার প্রধান আকর্ষণ ও বলীখেলা আয়োজনের মূল প্রেরণা। চট্টগ্রামের বাইশটি মল্ল পরিবার ইতিহাস প্রসিদ্ধ।

 

আপনি যে সম্পর্কে তথ্য চাচ্ছেনঃ চট্টগ্রাম দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রাম বিভাগের দর্শনীয় স্থান সমূহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান সমূহ, চট্টগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান, chittagong দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ, চট্টগ্রামের আশেপাশে দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থানগুলো, চট্টগ্রামের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রাম পর্যটন এলাকা, চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থানসমূহ, চিটাগাং এর দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রাম শহরের দর্শনীয় স্থান, দর্শনীয় স্থান চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান, চট্টগ্রাম ঘোরার জায়গা,

Leave a Comment