বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি কোথায় ?

যাদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের এই বাংলাদেশ, তাদের মধ্যেও যারা শ্রেষ্ঠ তারাই বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন।দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে এসব বীরশ্রেষ্ঠের সমাধি। এইসব বীরশ্রেষ্ঠর বীরত্বগাঁথা অনেকেরই জানা। আবার অনেকেরই কাছে ৪৯ বছর পরেও রয়ে গেছে অজানা।

বাংলার মানচিত্রে খুলনা শহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক থেকে খুবই গুরুত্বের। শহরটি রুপসা ও ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত। আর এই রূপসা নদীর পূর্বপাশে ঘুমিয়ে আছেন জাতির অন্যতম বীরশ্রেষ্ঠ সন্তান মো. রুহুল আমিন।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন

রূপসা বাসস্ট্যান্ড থেকে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়ক ধরে মাত্র ৫০ গজ গেলেই চোখে পড়বে মাজারটি। ১৯৭১ সালে রূপসা নদী তীরবর্তী খুলনা শিপইয়ার্ডের সামনে রুহুল আমিন শহীদ হন।

এই বীর ১৯৩৫ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার বাঘপাচড়া গ্রামে (বর্তমান শহীদ রুহুল আমিন নগর) জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আজহার পাটোয়ারী ও মাতা জুলেখা খাতুন। বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে খুলনার রূপসা নদীতে একটি যুদ্ধজাহাজে থাকাকালে শত্রুপক্ষের বিমান হামলায় শহীদ হন।১০ ডিসেম্বর ভারত সরকারের দেওয়া নৌবাহিনীকে দেওয়া প্লাশ গান বোর্ডের আর্টিফিশিয়াল অফিসার পদে দায়িত্বে ছিলেন।১০ ডিসেম্বর হলদিয়া নৌঘাট থেকে পাকিস্থানি নৌঘাটি পিএনএস তিতুমীর দখলের জন্য মোংলা বন্দর দিয়ে পদ্মা,পলাশ,পাভেল নামে তিনটি গানবোট নিয়ে রওনা দেন।হঠাত জংগি বিমান থেকে গুলি অর্ষন শুরু হয়।পলাশের  কমান্ডার সবাইকে গানবোট ত্যাগ করার নির্দেশ দিলেও রুহুল আমীন গানবোট সচল রাখার আপ্রান চেষ্টা চালান।হঠাত একটি গোলা পলাশের ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে।পরে আহত রুহুল আমীনকে পাকিস্থানী সেনারা নির্মমভাবে হত্যা করে।

এলাকাবাসীর সাথে আলাপকালে তারা জানান জানান, স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় অরক্ষিত থাকা মহান দুই ব্যক্তির কবরস্থানকে কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে জায়গাটির সুরক্ষা দিতে পশ্চিমে নদীর পারে বাঁধ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ২০১৫ সালে মাজারটির পূর্বপাশে রাস্তায় লোহার বেড়া দিয়ে বেষ্টনী দেওয়া হয়েছে। উত্তর-দক্ষিণে মাছের ডিলারদের দোকান দ্বারা বেষ্টিত হয়েছে। ইতোমধ্যে সমাধি স্থলটি বেশ দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলা হয়েছে। চারিদিকে দেয়া হয়েছে উন্নতমানের স্টীলের পাইপ দিয়ে বেস্টনী। সচরাচর যাতে সেখানে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য গেট দেয়া হয়েছে। তবে ভিতরে যদি কেউ যেতে চান শ্রদ্ধা জানাতে চায় তাহলে এক দারোয়ানের মোবাইল ফোনের নম্বর দেয়া রয়েছে। ফোন করলেই কযেকমিনিটের মধ্যেই তিনি সেখানে উপস্থিত হন। এবং গেটের তালা খুলে সমাধিস্থলে যাওয়ার সুযোগ করে দেন।


বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন রচনা,বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পদবী কি,বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পদবি কি ছিল,বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন পরিবার,বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের বাড়ি কোথায় অবস্থিত,বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের গ্রামের বাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত এবং কোন উপজেলায়,birbangla.com,

Leave a Comment

You cannot copy content of this page